Author: সূর্যবাণী ডেস্ক
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ. এফ. হাসান আরিফ বলেছেন, সমাজে যখন অসুরের সংখ্যা বেড়ে যায়, তখন দেবী দুর্গার আগমন ঘটে। ইদানীং মানুষে মানুষে ভেদাভেদ করার অসুরের সংখ্যা বেড়ে গেছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মানুষে মানুষে ভেদাভেদ করার অসুরকে প্রতিহত করতে হবে। উপদেষ্টা গতকাল শুক্রবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শারদীয় দুর্গোৎসবের শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, ধানমন্ডির কলাবাগানসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে উপস্থিত সুধীবৃন্দের প্রতি এসব কথা বলেন। হাসান আরিফ বলেন, ধর্মীয় পরিচয়ে আমরা এ দেশে থাকতে চাই না। আমরা চাই, একটি পরিবারের সদস্য হয়ে আমরা এ দেশে মিলেমিশে অবস্থান করব। পারষ্পরিক সহমর্মিতা এবং ভাতৃত্ববোধ গড়ে তুলে…
ডিমকে অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য হিসেবে ঘোষণার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ডিম সহজলভ্যতার দিক থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ডিম প্রাপ্যতার কোনো বৈষম্য থাকবে না। সব শ্রেণী-বর্ণ নির্বিশেষে, যাদের ডিম বেশি দরকার তাদের জন্য তা সরবরাহ করতে হবে। ডিমের মূল্য বৃদ্ধির মূল কারণ সিন্ডিকেট উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, এসব বিষয় মাথায় নিয়েই কাজ করছে সরকার। বাজারে নিয়মিত অভিযান চলছে। এরই মধ্যে পাইকারিতে কিছুটা দাম কমছে। দ্রুতই দাম নাগালে আসবে। ডিমকে অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য হিসেবে ঘোষণার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ডিম সহজলভ্যতার দিক থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ডিম প্রাপ্যতার কোনো বৈষম্য থাকবে না। সব শ্রেণী-বর্ণ নির্বিশেষে, যাদের ডিম বেশি দরকার তাদের জন্য…
ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম বলেছেন, এবারের দুর্গাপূজা অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল। অনেকেই দুর্গাপূজাকে ঘিরে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। আমরা পূজা শুরুর আগেই আপনাদের আশ্বস্ত করেছি; শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপিত হবে। এবার দুর্গাপূজা অনেক জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হচ্ছে। আইজিপি আজ শুক্রবার (১১ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর বনানী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, সব ধর্মের মানুষের নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার সংবিধান স্বীকৃত। মুষ্টিমেয় কিছু অপরাধী ছাড়া বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়। আমরা শান্তিপ্রিয় মানুষের পাশে রয়েছি। যারা অপরাধী তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ বদ্ধপরিকর। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, দেশে ৩২ হাজারের বেশি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে,…
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান রমনা কালী মন্দির পরিদর্শন করেছেন। আজ শুক্রবার (১১ অক্টোবর) পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সবাইকে শারদীয় শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন এবং বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশব্যাপী পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সবসময় প্রস্তুত ও তৎপর রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষ যেন উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে, সেটি আমাদের মূল উদ্দেশ্য। আমরা অতীতের মতোই সব ধর্মের মানুষদের মধ্যে সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখব এবং দেশের সার্বিক…
বাংলাদেশের সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির রাজনীতিবিষয়ক ভারপ্রাপ্ত আন্ডার সেক্রেটারি জন বাস বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব জসীম উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে এ আশ্বাস দেন। শুক্রবার (১১ অক্টোবর) বৈঠক শেষে জন বাস এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘পররাষ্ট্রসচিব জসীম উদ্দিনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সন্ত্রাসবাদ দমনের বিষয়ে আমাদের অভিন্ন লক্ষ্যের বিষয়ে আলোচনার প্রশংসা করি। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সহযোগিতার বিশেষ গুরুত্বের বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।’
প্লিজ, সহকারীদের পালস বোঝার চেষ্টা করুন। একজন শিক্ষক কীভাবে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী থাকেন? বিসিএস পরীক্ষার যোগ্যতার সমান যোগ্যতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চাওয়া হয়। এ বিবেচনায় সহকারী শিক্ষকদের নবম গ্রেড দেওয়ার কথা। কিন্তু সেখানে শিক্ষকদের ১৩ম গ্রেড দিয়ে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী করে রাখা হয়েছে। সমান যোগ্যতা নিয়ে পিটিআইসংলগ্ন প্রশিক্ষণ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দশম গ্রেড অথচ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দেওয়া হচ্ছে ১৩তম গ্রেড। শুধুই ‘পরীক্ষণ’ শব্দটির জন্যই বৈষম্য। একজন শিক্ষকের জন্য এর চেয়ে বড় বৈষম্য আর কী হতে পারে। এদিকে আবার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার নিয়োগ যোগ্যতা হলো কৃষি ডিপ্লোমা এবং বেতন দেওয়া হচ্ছে দশম গ্রেড তথা দ্বিতীয় শ্রেণি। অথচ…
উচ্চমাধ্যমিকে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হয়েছিল ৮ আগস্ট। অথচ ক্লাস শুরু হওয়ার পর থেকে দুই মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পরও এখনো এনসিটিবি কর্তৃক বাংলা, ইংরেজি ও আইসিটি বই প্রকাশিত হয়নি। এতে করে শিক্ষকেরা পাঠদান করাতে গিয়ে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। বিশেষত গত ২২ সেপ্টেম্বর এনসিটিবি কর্তৃক নির্দেশনা দেওয়া হয় যে বাংলা, ইংরেজি ও আইসিটি বইয়ের পরিমার্জিত নতুন সংস্করণ অচিরেই প্রকাশিত হবে। তাই শিক্ষার্থীদের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের বই কিনতে বারণ করে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এনসিটিবি হুট করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়েছেন। বইয়ের অভাবে পাঠদান করাতে সমস্যা হচ্ছে। এমনকি পুরোনো বই সংগ্রহে থাকলেও তা আদৌ পরিমার্জিত সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত হবে কি না,…
বর্তমানে বাংলাদেশে শিক্ষক স্বল্পতা একটি বড় সমস্যা। বিশেষ করে কলেজগুলোয় শিক্ষক স্বল্পতা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবে কলেজগুলোতে নিয়মিত পাঠদান দিতে ব্যর্থ হচ্ছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী কলেজ চট্টগ্রাম কলেজ। শত বছরের ঐতিহ্য ধারণ করা কলেজটির বাংলা বিভাগও একটি ঐতিহ্যপূর্ণ বিভাগ। ড. মুহাম্মদ আবদুল হাই, ড. হুমায়ুন আজাদ, ফোকলোর বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ মনসুর উদ্দিন, অধ্যাপক মনিরুজ্জামানদের মতো বহু কৃতী শিক্ষকের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আহমদ কবীর, অধ্যাপক ড. মাহবুবুল হক, অধ্যাপক আবুল কাসেমসহ বহু কৃতী শিক্ষার্থী বাংলা বিভাগের ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। বর্তমানে বিভাগটিতে অনার্স, মাস্টার্সসহ অধ্যয়ন করছেন শত শত শিক্ষার্থী। রয়েছেন মাত্র ছয়জন শিক্ষক। এই ছয়জনকেই অনার্স ও…
যশোর জেলার দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অভয়নগর, মনিরামপুর, কেশবপুর, ডুমুরিয়া ও ফুলতলার কিছু অংশ নিয়ে ভবদহের অবস্থান। চার দশক ধরে এখানকার ৩৩০ কিলোমিটার এলাকার ৩ লাখ মানুষ জলাবদ্ধতায় ভুগছেন। গত দুই বছর কিছুটা কমলেও চলতি মৌসুমি ভারী বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতার বিস্তৃতি আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। অভয়নগর, মনিরামপুর, কেশবপুর অঞ্চলের ৩৫টি গ্রাম পানির নিচে তলিয়ে গেছে। হাজার হাজার কৃষকের ২৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। এ ছাড়া কয়েক হাজার মাছের ঘের বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ভবদহের জলাবদ্ধতার দীর্ঘ এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধানকল্পে সবুজায়ন নামে পানি উন্নয়ন বোর্ড ১৯৬১ সালে পাঁচটি স্থানে ৪৪টি স্লুইসগেট স্থাপন করে।…
কাঁথা মুড়ি দিয়ে আরাম করে অবকাশ যাপন করার জন্য বেশ উপযুক্ত পরিবেশ হলেও বৃষ্টি শহরের শ্রমজীবী মানুষের জীবনে বাড়তি ভোগান্তি নিয়ে আসে সব সময়ই। জীবিকার তাগিদে বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামতে ও অবস্থান করতে হয় রিকশাচালকসহ শ্রমজীবী নানা পেশার মানুষকে। তাঁদের অবস্থা এ রকম, এক দিন কাজে বের না হলে পরের দিন পেটে ভাত জুটবে কি না, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু সুবিধাবঞ্চিত হওয়ার কারণে দুর্যোগে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে ন্যূনতম অনুকূল পরিবেশটুকুও পান না। একটানা বৃষ্টিতে ভেজার ফলে জ্বর, ঠান্ডাসহ নানান রকম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েন এবং সেই অসুস্থ অবস্থাতেও তাঁদের কাজ করে যেতে হয়। এভাবে একটানা অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে বাধ্য হলে নিউমোনিয়াসহ আরও নানান…
