Author: সূর্যবাণী ডেস্ক
আপনি কি কখনো দেশের কোনো সরকারি হাসপাতালে রোগী হিসেবে গেছেন? আউটডোরে? কিংবা ইন-প্যাশেন্ট হিসেবে? নিদেনপক্ষে একজন ভিজিটর বা দর্শনার্থী হিসেবে ওখানে যাওয়ার অভিজ্ঞতা আপনার হয়ে থাকবে। একজন রোগী হিসেবে যদি আপনি কোনো সরকারি হাসপাতালের জেনারেল বেডে ভর্তি হয়ে থাকেন কিংবা তাঁর অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে ওখানে অবস্থান করেন, তাহলে নিশ্চয়ই আপনাকে ওখানকার টয়লেট বা শৌচাগারগুলো ব্যবহার করতে হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কিছু অপ্রত্যাশিত ব্যতিক্রম বাদ দিলে আপনার খুব কষ্টকর একটি অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। দেশের বিপুলসংখ্যক নিম্ন আয়ের মানুষের চিকিৎসার জন্য শেষ আশ্রয় এই সরকারি হাসপাতালগুলো। বেসরকারি হাসপাতাল/ক্লিনিকগুলোর বিপুল ব্যয়ের তুলনায় সরকারি হাসপাতালগুলোর চিকিৎসাসেবা একরকম ফ্রি। থাকা-খাওয়ার জন্যও আপনার তেমন কোনো খরচ লাগছে না।…
ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ত্যাগ করাতে আরব সরকারগুলোকে কয়েক দশক ধরে রাজি করানোর চেষ্টা করছে ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ৭ অক্টোবর নেতানিয়াহুর নৃশংস প্রতিক্রিয়া সে চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে। দুই কৌশল একেবারে শুরু থেকেই নেতানিয়াহু ও হামাসের নতুন নির্বাচিত নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারের দুটি অত্যন্ত স্পষ্ট কৌশল আছে। দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর নেতানিয়াহুর চারটি ঘোষিত উদ্দেশ্য ছিল—জিম্মিদের ফিরিয়ে আনা; ফিলিস্তিন ও লেবাননের সব প্রতিরোধ গোষ্ঠীকে ধ্বংস করা; ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচী শেষ করা এবং তার প্রতিরোধের অক্ষকে দুর্বল করা; এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, ইসরাইলসহ অঞ্চলটিকে নিজেদের মতো করে ঢেলে সাজানো। খুব অল্প সময়েই এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে নেতানিয়াহুর জিম্মিদের দেশে ফিরিয়ে আনার…
কন্যাসন্তান মহান আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বিশেষ নিয়ামত। কন্যাসন্তান সৌভাগ্যের নিদর্শন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যার ঘরে কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করল, অতঃপর সে তাকে কষ্টও দেয়নি, তার ওপর অসন্তুষ্টও হয়নি এবং পুত্রসন্তানকে অগ্রাধিকার বা প্রাধান্য দেয়নি, তাহলে ওই কন্যার কারণে আল্লাহ তাআলা তাকে বেহেশতে প্রবেশ করাবেন।’ (মুসনাদে আহমাদ, খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ২২৩) আল্লাহ তাআলা কাউকে কন্যাসন্তান দান করেন আবার কাউকে পুত্রসন্তান, কাউকে আবার কোনো সন্তানই দান করেন না। এ বণ্টনও আল্লাহ তাআলার হিকমত ও কল্যাণ-জ্ঞানের ভিত্তিতেই। পবিত্র কোরআনের বর্ণনা, ‘আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর আধিপত্য আল্লাহরই। তিনি যা ইচ্ছা তা–ই সৃষ্টি করেন। তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যাসন্তান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা পুত্রসন্তান দান করেন,…
১১ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। প্রতিবছর বাংলাদেশের জন্য দিনটি আত্মবিশ্লেষণের এবং কন্যাশিশুদের কণ্ঠ ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে চিন্তাভাবনার আরেকটি সুযোগ। বর্তমান পরিস্থিতিতে কন্যাশিশুদের বিয়ের বিরুদ্ধে কেন নতুন অঙ্গীকার ও সাহসী উদ্যোগ প্রয়োজন, তা নিয়ে লিখেছেন এম নিয়াজ আসাদুল্লাহ, জাকি ওয়াহহাজ ও সারা হোসেন লেখা: এম নিয়াজ আসাদুল্লাহ, জাকি ওয়াহহাজ ও সারা হোসেন প্রতিবছর ১১ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালিত হয়। এই দিবসকে মেয়েদের দিনও বলা হয়। কিশোরী ও কন্যাসন্তানদের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা ও প্রয়োজন মেটানোর জন্য প্রত্যেকের রাষ্ট্রীয় ও পারিবারিক পর্যায়ে প্রতিশ্রুতির পুনর্বিবেচনা ও মূল্যায়ন বিচারে দিনটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। বিগত দশকে কিছু অগ্রগতি সত্ত্বেও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মেয়েশিশুরা এখনো ঝুঁকিপূর্ণ…
বিভিন্ন জাতিগত প্রতিরোধ গোষ্ঠী ও পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেসের (পিডিএফএস) কাছে একের পর এক লজ্জাজনক পরাজয়ের ফলে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাউন্সিলের পতন এখন দৃশ্যমান একটি বাস্তবতা। সে কারণেই, এই সন্ধিক্ষণে মিয়ানামারে চীনের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর বিষয়টি মোটেও কাকতালীয় ঘটনা নয়। চীনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মিয়ানমার সফর, জাতিগত প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর নেতাদের সঙ্গে দেখা করা এবং মিয়ানমারের জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতাদের বেইজিংয়ে আমন্ত্রণ—সব কটি ঘটনায় এই ইঙ্গিত দেয় যে মিয়ানমারকে চীন দৃঢ়ভাবেই নিজের প্রভাববলয়ে রাখতে চায়। চীনের আনুষ্ঠানিক নীতি হচ্ছে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তারা কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করে না; কিন্তু বাস্তবে চীন মিয়ানমারের সংঘাতের সঙ্গে জড়িত দুই পক্ষের সঙ্গেই সম্পর্ক দৃঢ় রাখার কৌশল নিয়ে…
দেশে নাগরিক সেবা পেতে জন্মনিবন্ধন সনদ অপরিহার্য। স্কুলে ভর্তি থেকে শুরু করে ব্যাংক হিসাব খোলা, চাকরিতে যোগদান, বিয়ে, জমি রেজিস্ট্রি, পাসপোর্ট করাসহ জীবনের ক্ষেত্রে এ সনদ দরকার হয়। কিন্তু জন্মনিবন্ধন সনদ জোগাড় করতে গিয়ে পড়তে হয় সীমাহীন ভোগান্তিতে। জন্মের এক বছরের মধ্যেই জন্মনিবন্ধনকে গুরুত্ব দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়নে পিছিয়ে আছি আমরা। জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধনের বিষয়ে যতই গুরুত্ব দেওয়া হোক না কেন, এ দুই সনদ নিতে বাংলাদেশের মানুষ এখনো অনেক পিছিয়ে। এখানে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, কারিগরি ত্রুটি, আন্তরিকতার অভাব ও সেবাদানে অবহেলা, অনিয়মসহ নানা কারণে মানুষ ভুক্তভোগী হয়। ফলে সহজে সনদ পাওয়ার বিষয়টি দুরূহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব সমস্যা থাকা সত্ত্বেও ২০২৪…
আগস্ট থেকে অক্টোবরের প্রথম ভাগ পর্যন্ত দেশজুড়ে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টি এবং দেশের উত্তর–পূর্বাঞ্চলসহ শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার বন্যা-ভাটির দেশ বাংলাদেশের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতের বিষয়টিকে সুস্পষ্টভাবে সামনে নিয়ে এল। এ রকম বন্যা, খরা ও ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে আগামী দিনে এ ভূমির মানুষেরা কীভাবে নিজেদের আত্মস্থ করে নিতে পারবে, সেই চিন্তাকে কেন্দ্রে রেখে যৌথ নদীর পানি ব্যবস্থাপনা ও দুর্যোগ মোকাবিলার নীতি ও কৌশল ঢেলে সাজানোর সময় এসেছে। এর জন্য মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি নীতি ও পরিকল্পনা দরকার। কিন্তু এ মুহূর্তে বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে সর্বোচ্চ মনোযোগ দেওয়ার বিকল্প নেই। কেননা, আকস্মিক বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যেমন…
বৃষ্টি মৌসুমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ঝরনাগুলোকে নিয়ে স্থানীয় পর্যটকদের উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এ সময় অসতর্কতা, অবহেলাসহ নানা কারণে দুর্ঘটনা ঘটে যায়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই উপজেলায় অবস্থিত ঝরনাগুলোতে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। গত দেড় মাসে অন্তত ছয়জন মারা গেছেন, যা খুবই দুঃখজনক। দেশের পর্যটন খাতে সিলেট ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকার ঝরনাগুলো বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে কাজ করে। একেকটি ঝরনাকে ঘিরে গড়ে ওঠে একেকটি পর্যটনকেন্দ্র। এর ফলে বিপুল লোকের কর্মসংস্থান হয়। কিন্তু সেসব ঝরনাকে ঘিরে নিরাপত্তাসহ পর্যটকদের সচেতনতার বৃদ্ধির বিষয়টি কতটা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে বরাবরই প্রশ্ন থেকে যায়। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বারৈয়ারঢালা জাতীয় উদ্যানের পাহাড়ি এলাকাগুলো খৈয়াছড়া, নাপিত্তাছড়া…
সড়ক দুর্ঘটনা রোধে এত আইন হলো, এত পরিকল্পনা নেওয়া হলো, কিন্তু কোনো কিছুই কাজে লাগছে না। এটা যেমন আমাদের সম্মিলিত ব্যর্থতা, তেমনি সড়ক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবহেলাও বটে। ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে দুই বাসের প্রতিযোগিতার শিকার হয়ে মারা গিয়েছিল দুই কলেজশিক্ষার্থী। সেই ঘটনা দেশবাসীকে দারুণভাবে নাড়া দিয়েছিল। নিরাপদ সড়কের দাবিতে গড়ে ওঠা শিক্ষার্থীদের সর্বাত্মক আন্দোলনের মুখে তৎকালীন সরকার সড়ক পরিবহন আইন করতে বাধ্য হয়েছিল। আমাদের প্রত্যাশা ছিল এই আইন পাসের পর সড়কে দুর্ঘটনা কমবে, যাত্রী ও পথচারীরা নিরাপদ থাকবেন। কিন্তু বিগত সরকার নানা মহলের চাপে সেই আইনটিকে কাটছাঁট করে একটি অকেজো আইনে পরিণত করে। ফলে সড়কে…
ছুটির দিন অনেকেই বানান ভিন্ন খাবার। সকালে নাশতায় কিংবা বিকালে চায়ের সঙ্গে বানাতে পারেন কড়াইশুঁটির লুচি। রেসিপি দিয়েছেন অসিত কর্মকার উপকরণ ময়দা ৪০০ গ্রাম, কড়াইশুঁটি পেস্ট ২ কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, জিরাবাটা ১ চা-চামচ, মরিচ ও ধনেপাতাকুচি আধা কাপ, শুকনা মরিচ ২টি, হিং আধা চা-চামচ, ঘি ৩ কাপ, শর্ষের তেল আধা কাপ, লবণ সামান্য, ঈষদুষ্ণ গরম পানি ১ কাপ । কড়াইশুঁটির কচুরি প্রণালি একটি প্যানে শর্ষের তেল দিয়ে দিন। তাতে হিং ও শুকনা মরিচের ফোড়ন দিন। এতে কড়াইশুঁটি পেস্ট, আদাবাটা, জিরাবাটা ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। শুকিয়ে এলে ধনেপাতাকুচি মিশিয়ে নামিয়ে রাখুন। এবার একটি বোলে ময়দা, লবণ ও ১…
